সোনায় সোহাগা
ফেসবুকে এক বিজ্ঞানীর সাক্ষাৎকার শুনলাম। মাদ্রাসা ছাত্র এই বিজ্ঞানী বলতে গেলে প্রায় বিনা খরচে বিদ্যুৎ খনি আবিষ্কার করছে যার উৎস মাধ্যাকর্ষণ শক্তি। যদিও তার অনেক ভাবনা প্রথাগত পদার্থবিজ্ঞানের সাথে যায় না, তার পরেও এতে কিছু পজিটিভ দিক আছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী সে কোরআন থেকে এই তত্ত্ব আবিষ্কার করেছে। শুধু তাই নয় পদার্থবিজ্ঞানের এরকম শত শত তত্ত্ব সেখানে আছে। যদি তাই হয় তাহলে বলতেই হবে ধর্ম প্রচারক ও ধর্ম ব্যবসায়ীরা যারা কথায় কথায় কোরআনের উদ্ধৃতি দেয় তারা সঠিক মনোযোগ দিয়ে তা পড়ে না। আর যেহেতু বিজ্ঞান মানেই প্রশ্ন করা তাহলে কোরআন নিয়ে নতুন করে গবেষণার সুযোগ আছে। এটা নিঃসন্দেহে পজিটিভ দিক। দ্বিতীয় যে বিষয়টি আমার মনোযোগ আকর্ষণ করেছে তা হল ২০১১ সালের একটি ঘটনা। সেবার আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত গবেষণা কেন্দ্রে প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলামের আমন্ত্রণে কসমোলজির উপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করি। পরে আমরা যখন লাঞ্চ করছিলাম স্যারের এক ছাত্রী বেশ জোরের সাথেই বলল, "স্যার, ডঃ সাহা যা বললেন সবই তো কোরআনে লেখা আছে।" বাংলাদেশের একটি নামকরা ইনস্টিটিউটে একজন বিশ্বখ্যাত গবেষ...