গ্রহণ বর্জন
আন্তন চেখভের একটা বিখ্যাত উক্তি – “দেয়ালে যদি রিভলবার ঝোলানো থাকে তাহলে আজ হোক কাল হোক একদিন না একদিন সেটা থেকে গুলী বেরুবেই।” ইউরোপে আজ অস্ত্রের ঝনঝনানি। জার্মানি থেকে শুরু করে সবাই তাদের মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিকে চাঙ্গা করতে চাইছে। এ জন্য দরকার শত্রু। বাস্তব হোক আর কাল্পনিক হোক – শত্রু দরকার। রাশিয়া উত্তম ভাবে সে ভূমিকা পালন করতে পারে। এটা অনেকটা পাশের বাড়ির নাদুসনুদুস ষাঁড়ের মত। সে এমনকি যারপরনাই শান্ত ও বন্ধুবৎসল হলেও মানুষ তাকে ভয় পাবেই। যুক্তি একটাই। ষাঁড়। বলা তো যায় না কী আছে ওর মনে। হঠাৎ যদি গুঁতা দিয়েই বসে। ফলে আশেপাশে কোন বড় দেশ থাকলেই ছোট ছোট দেশগুলো ভয়ে থাকে আর ভয় থেকে যুদ্ধংদেহী মনোভাব আর সেই সাথে অস্ত্র ভাণ্ডার বোঝাই করা। এতে অন্যান্য খাত শুকিয়ে যায়। সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ে। আর সবচেয়ে বড় কথা অস্ত্র ব্যাপারটা যাকে বলে গরীবের ঘোড়া রোগ। কারণ অস্ত্র ফেলে রাখলে চলে না, এর যত্ন নিতে হয়। অস্ত্রের নির্দিষ্ট আয়ু আছে। সময় মত ব্যবহার না করলে বিদ্রোহ করতে পারে, মানে সেখানে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। অন্য দিকে পুরানো অস্ত্র শান্তিপূর্ণ উপায়ে ধ্বংস খুবই ব্যয় সাপেক্ষ। এটা অনেকটা কারখা...