সাব

সত্তরের দশকের শেষ ও আশির দশকের শুরুতে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে লেখাপড়া শেষ করে দেশে ফেরার পর ভিপুস্কনিকরা চাকরি ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হয়।‌এসব সমস্যার অন্যতম প্রধান ছিল ডিগ্রির মান ও স্বীকৃতি। অন্যান্য অনেক কিছুর পাশাপাশি এই সমস্যা সমাধানের প্রয়াসে প্রায় ৪৫ বছর আগে সাব তার যাত্রা শুরু করে। সোভিয়েত ইউনিয়ন আজ কেবলই স্মৃতি। তবে সোভিয়েত ও রুশ গ্র্যাজুয়েটদের প্রতি মনোভাব এখনও প্রায় আগের মতই আছে। ফলে সাবের গুরুত্ব আগের চেয়ে বরং বেড়েছে। বলাই বাহুল্য বাংলাদেশ যে রাজনৈতিক পথে চলছে তাতে সোভিয়েত ও রুশ ভিপুস্কনিকদের সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। এমতাবস্থায় নতুন কমিটি ডিগ্রির সমমান নিশ্চিত করতে, রাশিয়া ফেরৎ নবীন বিশেষজ্ঞদের দেশীয় পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে, ভিপুস্কনিকদের রুশ ভিসা পেতে সহযোগিতার করতে উদ্যোগী হবে সেটাই আশা করি। আর এসব করার জন্য সাবকে একটি আধুনিক, গতিশীল সংগঠনে পরিণত হতে হবে যা হবে ভিপুস্কনিকদের ট্রেড ইউনিয়ন। সাব যে শুধু পিকনিক বা পিঠে পার্টি নয়, বরং ভিপুস্কনিকদের অধিকার আদায়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে নতুন কমিটি কাজের মাধ্যমে সেটা প্রমাণ করবে বলে মনে করি। এজন্য সাবকে অবশ্যই রুশ দূতাবাস, রাশিয়ান হাউজ, মস্কোস্থ বাংলাদেশী দূতাবাস, ইনকোর ভুজ, রাশিয়া ও বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে। সর্বোপরি সাব উচ্চ শিক্ষিত বিশেষজ্ঞদের অধিকার আদায়ের সংগঠন। আশা করব নবনির্বাচিত কমিটি সাবকে সেই পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবে। আসুন সেই লক্ষ্যে আমরা উপযুক্ত লোকদের নির্বাচিত করি।

দুবনা, ১৭ জুলাই ২০২৬

Comments