দেশি হাসপাতাল

সত্য না মিথ্যা সেটা জানি না, তবে বিভিন্ন সময়ে শুনেছি দেশের বিভিন্ন কমার্শিয়াল হাসপাতালে রুগি মারা যাবার পরেও তাকে আইসিইউতে রাখা হয় বেশি চার্জ করার জন্য। ইউরোপ এখন ঠিক দেশি হাসপাতালের মত কাজ করছে এবং কোন আশা নেই জেনেও ইউক্রেনকে যুদ্ধ তথা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এতে শুধু ইউক্রেন মানুষ হারাচ্ছে না, হারাচ্ছে ভূমি, অবকাঠামো আর প্রতিদিন বাড়ছে ঋণ। যদি কেউ ভাবে ইউরোপ বা আমেরিকা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ইউক্রেনকে শত শত বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে, তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে। যুদ্ধ যত দেরিতে শেষ হবে, ইউক্রেন যত দুর্বল হবে সেই ঋণ শোধ করা তত বেশি কঠিন হবে। আর ইউক্রেনকে তত শক্ত শর্তের নাগ পাশে বাঁধা যাবে। পুঁজিবাদ এমনি এমনি কিছু দেয় না। অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেয়া ভালো, বিশেষ করে অন্যদের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে। সেটা অনেক কম বেদনাদায়ক। আমাদের দেশের এক্সিকিউটিভ অফিসাররা সেটা বোঝে কি? নাকি তারা নিজ নিজ মালিকদের তাঁবেদার মাত্র?

দুবনা, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Comments

Popular posts from this blog

প্রশ্ন

সিপিবি কংগ্রেস

রিংকু