ইতিহাস

সেদিন রুশ টিভিতে অস্ট্রিয়ার স্কুল সম্পর্কে বেশ দীর্ঘ এক রিপোর্ট দেখাল। স্কুলের শতকরা প্রায় নব্বই ভাগ ছেলেমেয়ে অভিবাসী। এমনকি অনেকেই এদেশেই জন্ম নিয়েছে। কিন্তু এদের বেশিরভাগই জার্মান বা ফ্রেঞ্চ ভাষায় কথা বলতে পারে না। কথা বলে মূলতঃ আরবি ভাষায়। আমার মনে পড়ল আশির দশকে মস্কো থেকে ঢাকা ফেরার দৃশ্য। লন্ডন থেকে বিমান ভরে বাংলাদেশের লোকজন দেশে ফিরত। সোভিয়েত ইউনিয়নের জাতীয় বিমান সংস্থা এরোফ্লত ছিল সস্তা ও জনপ্রিয়। সারা পথ তরুণ তরুণীরা ব্যাকরণের তোয়াক্কা না করে ইংরেজি বলে যেত। কিন্তু ঢাকায় ল্যান্ড করার আগ মুহূর্তে অনুরোধ করত ইমিগ্রেশন ফর্ম পূরণ করতে। ওরা লিখতে পড়তে জানত না। আজ ইংল্যান্ডে যে সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান সেটা এই শিক্ষার অভাব থেকেই। একদিন অস্ট্রিয়ায় অশিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বাড়বে। আর যাদের শিক্ষা যত দুর্বল মৌলবাদের হাতিয়ার হিসেবে তারা তত সবল।

দুবনা, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

Comments

Popular posts from this blog

প্রশ্ন

সিপিবি কংগ্রেস

রিংকু